How to Make Money by Social Media


সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিংয়ের কিছু কাজ করাতে গিয়ে দেখেছি, অল্প কিছু কাজ করেই সেল হচ্ছেনা দেখে হতাশ হয়ে পড়ছে। সেই জন্যই আমার আজকের লেখাটি। মূলত দেখাবো, মার্কেটিং পরিকল্পনা কিভাবে করতে হয়, একটা প্রডাক্ট কখন সেল হয়। কিছু গাইডলাইন তৈরি করে দিব, সেই সাথে কিছু কেসস্টাডিও পাবেন।

online

একটা প্রডাক্ট কখন বিক্রি হয়?

একটা প্রডাক্ট বিক্রির জন্য যে কয়েকটি বিষয় নির্ভর করে সেগুলো হলো:
১) প্রডাক্ট কিনতে পারে এরকম টার্গেটেড ক্লায়েন্ট নির্ধারন করতে হবে।
২) সেসব ক্লায়েন্টদের আচার আচরণ বুঝার চেষ্টা করতে হবে।
৩) ক্লায়েন্ট টার্গেট করে ফেলার পর, তাদের আচার আচরণ বুঝে মার্কেটিং পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলতে হবে।
৪) মার্কেটিংয়ের পরিকল্পনাতে অবশ্যই রুটিন অনুযায়ি এবং বার বার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত মেসেজ টার্গেটেড ক্লায়েন্টদের চোখে ফেলতে হবে। ১টা কথা প্রচলিত আছে, কোন প্রডাক্ট সম্পর্কে তথ্য মিনিমাম ৭ বার টার্গেটেড ক্লায়েন্টের চোখে পড়ার পর, সেটি সম্পর্কে ক্লায়েন্ট কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
৫) বার বার ক্লায়েন্টের চোখে মেসেজ নিয়ে আসা মানে বিরক্ত তৈরি করা না। কোয়ালিটি কনটেন্টের মাধ্যমে চোখের সামনে নিয়ে আসতে হবে।

টাস্ক- ১: টার্গেটেড অডিয়েন্স কিভাবে বের করবেন?

যে কেউ যে কোন প্রোডাক্টের ক্লায়েন্ট হতে পারে। কিন্তু সম্ভাবনা বেশি কোন কার নির্ধারিত প্রোডাক্টটির, সেটি নির্ধারণ করে কাজ করলে বেশি সফল হতে পারবেন। ধরি, আমার ওয়েট লসের একটি প্রোডাক্ট আছে, সেটির সম্ভাব্য ক্রেতা হতে পারে, ২০-৪০ বছরের তরুণ-তরুণী। তাহলে তাদেরকে পাওয়া যাবে, এরকম জায়গাতেই আপনার প্রোডাক্টকে প্রমোট করতে হবে।
টার্গেট ক্লায়েন্টদের বেসিক কয়েকটি বিষয় আইডিয়া করতে হবে:
১) বয়স
২) লিংগ
৩) লোকেশন
৪) মাসিক ইনকাম অবস্থা
৫) পেশা
৬) শিক্ষা
৭) বৈবাহিক অবস্থা
এ বিষয়গুলো আনুমানিক ধারণা করে সেটাকে লিখে ফেলুন। তাহলে পরিকল্পনা সাজাতে সহজ হবে।
বিষয়গুলো বিভিন্ন প্রোডাক্ট অনুযায়ি পার্থক্য থাকতে পারে। আপনি যদি একটি ১লাখ টাকা দামের প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন, সেটির জন্য যাদের মাসিক আয় ১০,০০০টাকা, তাদেরকে বাদ দিয়ে পরিকল্পনা করলেই ভাল হয়। সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করলে এরকম টার্গেট করে ক্লায়েণ্ট খুজে বের করে মার্কেটিং করাটা একদম সহজ হয়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে কারা আপনার মেসেজটি শুনতে আগ্রহী আর কারা শুনতে মোটেই আগ্রহীনা, সেটি বুঝা সম্ভব।

টাস্ক-২: সম্ভাব্য ক্লায়েন্টের আচরণ এবং অভ্যাস সম্পর্কে ধারণা:

-          আগ্রহ
-          আচরণগত বৈশিষ্ট্য
-          কেনাকাটার অভ্যাস
-          মাসে শপিংয়ে কিরকম খরচ করে?
-          সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো (সামাজিক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক প্রবণতা)
-          সামাজিক অবস্থা (প্রভাব বিস্তারকারী, পরিবার, দল ও সামাজিক অবস্থা)
-          ব্যক্তিগত কারণ (বয়স এবং জীবন-যাপন)
-          সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার ( ক্লায়েন্টের অনুপ্রেরণা, উপলব্ধি, বিশ্বাস ও মনোভাব)
এগুলোর একটা ধারণা নিয়েও একটা ফাইল তৈরি করে ফেলুন।

টাস্ক-৩:  টার্গেট অডিয়েনন্সকে আকর্ষণ করার জন্য আর্টিকেল লেখার পরিকল্পনা:

আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত এবং টার্গেটেড ক্লায়েন্টের চিন্তা মাথাতে রেখেই কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।
কনটেন্ট তৈরির আগে টার্গেটেড ক্লায়েন্ট সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্নে উত্তরগুলো লিখে নিন। তাহলে কনটেন্ট তৈরিতে সহজ হবে।
প্রশ্নগুলো:
১) টার্গেটেড ক্লায়েন্টের মূল ব্যস্ততা কি নিয়ে?
২) টার্গেটেড ক্লায়েন্টদের কোন জিনিস কেনার প্রতি আগ্রহ বেশি?
৩) সেই ক্লায়েন্টদের প্রশ্ন কি কি হতে পারে?
৪) কি কি কারনে তারা প্রডাক্টটি না কিনতে পারেন?
৫) তারা কিছু কিনতে গেলে কি কি তথ্য জানতে চান?
৬) তারা কোন কিছু কিনতে গেলে কিভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে?
এবার কোন প্রডাক্ট কিংবা সার্ভিস বিক্রির জন্য অনলাইনে মার্কেটিং করার একটি রুটিন করে দিচ্ছি। এটা মেনে চললে যেকোন কিছু ব্রান্ডিং করতে পারবেন।

প্রোডাক্ট নিয়ে প্রযোজনীয় তথ্যগুলো প্রস্তুত। এবার মার্কেটিং প্রসেস শুরু করব। কিভাবে রুটিন মেনে মার্কেটিং করব, সেটি থাকছে এর পরের লেখাতে।
_client

ব্লগিং

-          প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি ব্লগ পোস্ট যাবে।
-          প্রতিটি পোস্ট একাধিকবার সোশ্যালমিডিয়াতে (বিশেষ করে, ফেসবুক, টুইটার, গুগল+, লিংকডিন) শেয়ার করুন
-          সপ্তাহে দুটি নতুন ব্লগ ফিডে সাবস্ক্রাইভ করতে হবে।
-          নিজের ফিড থেকে প্রতিদিন ৩টি পোস্টকে শেয়ার করতে হবে।
এর পরের পর্বে বাকিটুকু পাবেন।
 
Top